Breaking News
Home / অর্থনীতি / ময়মনসিংহে সদর উপজেলায় সবার আগে শতভাগ ই-নামজারি চালু ,উন্নয়নে রোল মডেল

ময়মনসিংহে সদর উপজেলায় সবার আগে শতভাগ ই-নামজারি চালু ,উন্নয়নে রোল মডেল

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় সবার আগে শতভাগ ই-নামজারি চালু ও উন্নয়নে রোল মডেল হিসেবে ইতিমধ্যে পরিচিত লাভ করেছে। ডিজিটাল ভূমি সেবা

ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জনদূর্ভোগ হ্রাসের ফলে বিভাগের শ্রেষ্ঠ ভুমি অফিস হিসেবে ময়মনসিংহ সদর ভূমি অফিসের নাম মানুষের মুখে মুখে। গত অর্থবছরে ৩ কোটি ৫৪ লক্ষ টাকা

রাজস্ব আদায়ে সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ কোটি ৬ লক্ষ টাকা। গত ছয় মাসে প্রায় ২ হাজার নামজারি খতিয়ান গ্রাহকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। ২৫ দিনের কার্যক্রমে গ্রাহকরাও ব্যাবক খুশি নিজেরাই ফোন ড্রেস্কে এসে আবেদন করেন যা সরাসরি ফোনের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য পায় এবং এসিল্যান্ড এবং সেবাগ্রহীতা এক এবং

মাঝখানে মধ্যেস্থতাকারী কেউ নেই। চলমান প্রক্রিয়ায় ২৫ দিনের কার্যক্রমের ৩০০/৪০০ নামজারির আবেদন রয়েছে যা কয়েকদিনের মধ্যেই নিঃপত্তি হবে।


সেবা গ্রহীতা আকুয়ার রফিকুল ইসলাম জানান, আগে নামজারি করার জন্য ভুমি অফিসে বার বার যাওয়া লাগতো সময়ের অপচয় ও টাকার অপচয় হতো কিন্তু এখন আর কোন ঝামেলা নেই। ফোন ডেস্কে আবেদন করছি ২৯ দিনের মাতায়

খারিজের কাগজ পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে অনেক ধন্যবাদ জানাই ।
সেবা গ্রহীতা বয়রা শেষ মোড়ের রহমত উল্লাহ ও কবির

হোসেন বলেন,
নামজারি করার সহজ উপায় হওয়ায় দালালদের খপ্পরে আর পড়তে হয় না আমরা নিজেরাই এসে নামজারির আবেদন করছি মোবাইলে ম্যাসেঞ্জ এসেছে তাই খবর নিতে আসছি। বাড়তি কোন টাকার প্রশ্নই উঠে না। আমরা এভাবে নিজের কাজ নিজে করতে করতে পেরে ও খুশি।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় ভূমি অফিসের আওতায় সিটি ও ইউপি ভূমি অফিসের সংখ্যা ১৩ টি। রাজস্ব সংগ্রহে এসব অফিসের মাধ্যমে সাধারণ ও সংস্থার দাবি আদায়ে

দায়িত্বপালনে সহকারী কমিশনার ভূমি নির্দেশনা দিয়েছেন।
উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার এর কার্যালয়ে প্রতি বুধবার গণশুনানীতে জনসন্তুষ্টি অর্জনের মাত্রা উল্লেখযোগ্য। প্রতি সপ্তাহে ৩০০ থেকে ৪০০ জন সেবা গ্রহিতা

গণশুনানীতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। নানাবিদ সমস্যার সমাধন দেওয়া হয়। গ্রামগঞ্জ থেকে ছুটে আসা বৃদ্ধ ও মধ্যবয়স্ক মানুষের বসার সু-ব্যবস্থা করা হয়েছে।

২০১৭ সালে ২২ ডিসেম্বর ১০৩ তম আইন ও প্রশাসন কোর্সে শ্রেষ্ঠ স্থান অর্জন করে মো. মহিনুল হাসান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে রেক্টর’স এওয়ার্ড গ্রহন করেন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার ভূমি হিসেবে যোগদান করেন মো. মহিনুল হাসান।
যোগদান করে জরাজীর্ন ও অপরিচ্ছন্ন অফিস আঙ্গিনা ও

অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়নে হাত দেন। এসব কাজে নজর কারেন সেবা গ্রহিতদের।
সেবা খাতে অনিয়ম, দূনীতির মাত্রা হ্রাসে উদ্যোগ নেন। যা জনমনে প্রশংসা কুড়ায়। দাপুনিয়া, অষ্টধার বিদ্যাগঞ্জ, পরানগঞ্জসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারের খাস জমি বেদখল মুক্ত করা হয়।

ব্রহ্মপুত্র নদে গত ৯ মাসে ৮টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অবৈধ বালু উত্তোলনরত ৪০ টি ড্রেজার আটক ও ধ্বংস করা হয়। সেই সাথে জরিমানা আদায় করা হয় ৭ লক্ষ টাকা।


বিজ্ঞ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে ও দেওয়ানী মামলার জবাব প্রদানের ক্ষেত্রে রয়েছেন ব্যাপক অগ্রগতি। রেন্ট সার্টিফিকেট মামলা ১০৭ টি থেকে ৫২ টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে।

বন্দোবস্তকৃত ৩০ জনের দলিল হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বিভিন্ন গুচ্ছগ্রাম ও আবাসনে বসবাসরতদের নানা সমস্যার সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
সদর উপজেলা ভূমি উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল হেল্প ডেক্স স্থাপন, গেইট, গ্যারেজ নির্মাণ, নতুন রেকর্ড রুম নির্মাণ, অফিস আঙ্গিনায় টাইলস করা, দুটি নতুন কক্ষ নির্মাণ, সিসি ক্যামেরা স্থাপন, সিটি ও ইউনিয়ন ভূমি

অফিসে ই-হাজিরা চালু করন। ২টি ভূমি অফিসে ভবন নির্মাণ ও ২টি সংস্কার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় থেকে সহজে নামজারী করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি লক্ষনীয়।


সদর ভূমি অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ডিজিটাল হেল্প ডেক্সের মাধ্যমে ভূমি সেবা, মামলাজট হ্রাস, অবৈধ দখল

উচ্ছেদ, ই-হাজিরা ও ই-নামজারীর ব্যবস্থাসহ সার্বিক কার্যক্রমে আধুনিকায়নে স্বচ্ছতা ও জনদূর্ভোগ কমেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১:২৩ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

Check Also

ময়মনসিংহে নবাগত পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের সাথে মত-বিনিময়

স্টাফ রিপোর্টারঃ বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে সাংবাদিকদের সাথে জেলা পুলিশের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা বিষয় নিয়ে মত-বিনিময় সভা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *