Breaking News
Home / ক্রাইম / ময়মনসিংহে সুনাম ধন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ নিয়ে বানিজ্য

ময়মনসিংহে সুনাম ধন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লাশ নিয়ে বানিজ্য

সাইফুল ইসলাম ঃ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বাংলাদেশের র্শীষ স্থান দখলকারি একমাত্র প্রতিষ্ঠান। এটা শুধু নামে নয় বরং পরীক্ষিত। সকল দিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু

অন্তরায় লাশ নিয়ে যারা বানিজ্য করে থাকে। সুনামই বদনামে পর্যবশিত হচ্ছে। প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা, জমি সংক্রান্ত জেরে সংঘর্ষ,অপমৃত্যু এবং এখানে বিভিন্ন প্রকারের

রোগীদের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে থাকে। তাদের অনেকের জায়গা হয় লাশ ঘরে, আর এখান থেকেই শুরু হয় ভোগান্তির। শেরপুরের নকলা উপজেলার শহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক দুঘর্টনায় শেরপুরের নকলা উপজেলায় সিএনজি ও বাসের

মুখমোখি সংঘর্ষে চালক সাথে সাথে নিহত হয়। আর গুরুতর আহত হয় চারজন। চারজনকে রবিবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। রাত ৯টায় দুই জনের মৃত্যু হয়। অপর দুইজন চিকিৎসাদিন অবস্থায় রয়েছে হাসপাতালে। কেউ পরিচয় না জানার কারণে হাসপাতালে অজ্ঞাত হিসাবে রাখা হয় লাশ ঘরে মৃতদের। পরে জানাজানি হলে রাতেই লাশের পরিচয় মিলে যায়। একজনের নাম

হাবিুবর রহমান (৫০) অপর জন সোহান (২৬) দুই জনের বাড়ি নকলা। আত্মীয় স্বজন রাতেই লাশ নেওয়ার জন্য চেষ্টা করে কিন্তু পারেনি। সকালে পোস্টমোডেম করে নিতে হবে বলে জানায়। সকাল ১০ ঘটিকায় কোতোয়ালী মডেল থানা থেকে আসে এসআই সোহেল রানা ও একজন কন্সেটবল। লেখালেখি চলে দুপুর দুইটা পর্যন্ত। কিন্তু লাশ দেওয়া হয় না লাশ কাটা ঘরে। বিকালে কন্সেটবল পুলিশ হাবিবুর ও সোহানের

স্বজনদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেয়। পরে এসআই সোহেল রানা টাকা দাবী করলে বাকবিতন্ডায় জরিয়ে পড়ে। লাশ লাশকাটা ঘরে নেওয়ার জন্য টলি বয় দাবী করে ১২০০ টাকা করে। টাকা না দিলে লাশ ধরবে না। তখন বাধ্য হয়ে ৬০০টাকা করে দিয়ে প্রত্যেকে লাশ কাটা ঘরে নিয়ে যায়।

কিন্তু সেখানে প্রতিটি লাশ কাটার জন্য ৫০০০ টাকা করে দাবী করে তুহীন। পরে অনেক কষ্টে ২৫০০ টাকা দিয়ে এবং পলিথিন,লবন ও পটের জন্য আলাদা টাকা দিতে হয়। মৃত হাবিবুর রহমানের চাচা কেঁদে কেঁদে প্রতিবেদককে বলেন,

আসলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনেক ভাল চিকিৎসা হয় কিন্তু লাশ নিয়ে যে খেলা করে এটা দেখার কেউ নেই।
কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তারা । এ রকম আশা করেননি বলে

মন্তব্য করেন। এ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন লাশ নিতে আসা ভুক্তভোগী রোগীদের আত্মীয়

স্বজনরা। গরীব অসহায় রোগীদের হয়রানি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২:২৮ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯

Check Also

১২নং ওয়ার্ডের স্থানীয় বসবাসকারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে ডিফেন্স পার্টির কার্যক্রম বৃদ্ধি

মোমেনশাহী ডেক্সঃ স্থানীয় এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে যাবতীয় অন্যায় দুর করে সিটি কর্পোরেশনের ১২ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *