Breaking News
Home / ক্রাইম / র‌্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন কর্তৃক উগ্রবাদী বই ও লিফলেটসহ পাঁচজন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) এর সক্রিয় সদস্য আটক

র‌্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন কর্তৃক উগ্রবাদী বই ও লিফলেটসহ পাঁচজন নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি (জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) এর সক্রিয় সদস্য আটক

প্রেসরিলিজ ঃ বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রান্তিলগ্নে “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই শ্লোগান নিয়ে জন্ম হয় র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এর। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব বাংলাদেশের মানুষের কাছে আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। খুন, ধর্ষণ, অপহরণসহ বিভিন্ন ধরনের চাঞ্চল্যকর অপরাধের স্বরূপ উদঘাটন করে অপরাধীদের আইনের আওয়াতায় নিয়ে আসতে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জঙ্গি বিরোধী কার্যক্রমে জিরো ট্রলারেন্সনীতি গ্রহণ করে এই প্রতিষ্ঠান মানুষের কাছে আস্থা ও নিরাপত্তার অন্য নাম হিসেবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা লাভ করেছে।র‌্যাব-১৪ এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় জঙ্গীবাদ দমন ও জঙ্গী বিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা করে অত্র অঞ্চলেরসাধারণ মানুষের মধ্যে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে র‌্যাব-১৪ বদ্ধ পরিকর। ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ জেএমবির বিভিন্ন সক্রিয় সদস্য তাদের উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তাদের কার্যক্রমের উপর র‌্যাবসহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার নিবিড় নজরদারি অব্যহত আছে।অত্র এলাকায় পূর্বে বাংলা ভাই ও শায়খ আব্দুর রহমান এর ঘাটি হিসেবে পরিচিত ছিল। বর্তমান সময়েও জেএমবির সদস্যরা অত্র এলাকায় উগ্রবাদী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করার জন্য তাদের দাওয়াতি ও নাশকতামূলক কর্মকান্ডের পরিকল্পনা করে আসছিল।সম্প্রতি অত্র এলাকা থেকে জেএমবি’র কিছু সক্রিয় সদস্যকে র‌্যাব কর্তৃক গ্রেফতার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪ এর ব্যাটালিয়ন সদরএর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানাধীন কুড়িপাড়া গ্রামের জনৈক মোঃ রুবেল এর মালিকানাধীন পুকুরের দক্ষিণ পাশে এবং কুড়িপাড়া জামে মসজিদ হতে ১০০ গজ পূর্বে চালী ঘরের ভেতরে কতিপয় নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি’র সদস্যগণ একত্রিত হয়ে নাশকতা করার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক করছে। উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৪, ব্যাটালিয়ন সদর এর আভিযানিক দল অদ্য ১২জুলাই

২০২০তারিখ০২.০০ঘটিকারসময়ঘটনাস্থলে পৌঁছলের‌্যাবেরউপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়েপালানোরসময়আসামী ১। মোঃ আসাদ আলী(৪৫), পিতা- মোঃ জালাল উদ্দিন ২। মোঃ মিস্টার (৪৮), পিতা-মৃত নওয়াব আলী(দুইখা শেখ)উভয় সাং- নটাকুড়ি ৩। মোঃ রাশেদ (৩২)৪।মোঃ বাছেদ আলী (২৬),উভয় পিতা-মোঃ বাসতুল্লাহ, সাং- বিন্নাকুড়ি ৫। মোখলেছুর রহমান (মুক্তার)(২৮) পিতা- মৃত জাবেদ আলী, সাং- পশ্চিম চন্ডী মন্ডলসর্ব থানা- মুক্তাগাছা, জেলা- ময়মনসিংহদের আটক করা হয় এবং তাদের হেফাজত থেকে বিপুল পরিমান উগ্রবাদীবইওলিফলেটউদ্ধারকরা হয়। এ সময়অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন দৌড়েপালিয়ে যেতেসক্ষম হয়।তাদেরকাছ থেকে প্রাপ্তবই ও লিফলেট এ উগ্রবাদ

কায়েমকরারবিভিন্নআহবানওকৌশলবর্ণনাকরাআছে।বিশেষকরেযুবকদেরপ্রতিউগ্রবাদেরআহবানকরেএসববইপত্র গোপনেবিতরণকরাহতো। গ্রেফতারকৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা যায় যে, দীর্ঘদিন যাবৎ তারা বিভিন্ন ইসলামি উগ্রবাদী বক্তার বয়ান শুনত এবং এইসব শুনে তারা উগ্রবাদের প্রতি উদ্ভুদ্ধ হয় ও জেএমবি এর সমর্থক এবং সক্রিয় সদস্য হয়ে উঠে। তারা একই চিন্তা-চেতনার অধিকারী হওয়ায় তাদের মধ্যে একে অপরের সাথে অল্প সময়ের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে এবং উগ্রবাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে নাশকতার প্রতি উদ্ভুদ্ধ হয়। উল্লেখিত আসামীগণ নিজেদেরকে জেএমবি এর সক্রিয় সদস্য হিসাবে পরিচয় দেয়। তারা বিভিন্ন সময় অত্র এলাকায় জেএমবির নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তির সহায়তায় নাশকতামূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।আসামীগণ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের জন্য বিভিন্ন কৌশলে কাজ করত, মুক্তাগাছা ইছাখালি বাজার জামে মসজিদসহ বিভিন্ন জায়গায় গোপনে বৈঠক করে উগ্রবাদী ও নাশকতামূলক তালিম প্রদান করত এবং সংগঠনের জন্য নিয়মিতচাঁদা(ইয়ানত) উত্তোলন করে সংগঠনের তহবিল সংগ্রহে ভূমিকা রাখত। এই তহবিল তারা বর্তমানে যেসব জেএমবি সদস্য জেলে বন্দী আছে তাদের হাজত থেকে বের করে এনে নতুনভাবে নাশকতা কার্যক্রম শুরু করাসহ সংগঠনের অন্যান্য খরচ বহন করার কাজে ব্যবহার করত। উগ্রবাদ কায়েম করার লক্ষ্যে তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নাশকতা করার পরিকল্পনা করছিল।

৪।উপরোক্তঘটনাসংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামীদেরবিরুদ্ধে ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা থানায়মামলা দায়েরেরকার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ১২, ২০২০

Check Also

মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক এইচ.এম ফারুকের বৃক্ষ রোপন

স্টাফ রিপোর্টারঃ “মুজিববর্ষের আহবান লাগাই গাছ বাড়াই বন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *