Breaking News
Home / ক্রাইম / ময়মনসিংহে রেমন্ড এর সাইন বোর্ড ব্যবহার করে প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে

ময়মনসিংহে রেমন্ড এর সাইন বোর্ড ব্যবহার করে প্রতারনার অভিযোগ উঠেছে

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ একটি ঐতিহ্যবাহী জেলা এবং প্রাচীনতম শহর। ইতিহাসের পাতায় একটি গুরুত্বপর্ণ জায়গা দখল করে রেখেছে। রাজধানীর সবচেয়ে কাছের বিভাগ হলো এই ময়মনসিংহ বিভাগ। বাংলাদেশের বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ দ্বাদশ সিটি কর্পোরেশন নগরী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক বছর ধরে। সেই সুবাদে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের আগমন ঘটেছে এই শহরে। সেই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যবসার নামে প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছে। নগরীর জে.সি গুহ রোডের অন্যতম হচ্ছে রেমন্ড টেইলার্স এন্ড ফেব্রিক্স নামের বিশাল প্রতিষ্ঠান। ঢাকার মতো ডেকোরেশন করে চলছে রমরমা ব্যবসা।

সাধারণ নরমাল কাপড়ের মধ্যে রেমন্ড এর সীল মেরে প্রতারনা করে আসছে বলে স্থানীয় লোকদের দাবী।স্থানীয় আজিজ সুপার মার্কেটের মালিক মোঃ সাইদ তালুকদার জানান, আমার মার্কেটেই ছিল প্রথম দোকান। এলাকার মানুষের অভিযোগ শুনতে শুনতে শেষে রেমন্ড টেইলার্স এন্ড ফেব্রিক্স এর মালিক আব্দুল সালাম শিকদারকে দোকান চেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিশাল সাইন বোর্ড ব্যবহার করে আসলে সাধারণ মানুষকে ধুকা দিচ্ছে। নি¤œমানের চাইনা কাপড় দিয়ে রেমন্ড হিসাবে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে তার মূল ব্যবসা। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে থানায় জিডি ও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।স্থানীয় ক্রেতা মোঃ বিপুল হোসাইন জানান, ৮হাজার টাকায় ব্লেজার কিনে প্রতারিত হয়েছি। কয়েক দিনের মধ্যে কাপড় নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আসলে রেমন্ড এর কাপড় নষ্ট হয় না কিন্তু নকল রেমন্ড এর কাপড় দেওয়ার কারণে এই অবস্থা।

এর বিরুদ্ধে কঠিন বিচার হওয়া উচিত। আমার মতো আর যেন কেউ প্রতারিত না হয় সেই জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ত্রিশালের নবী হোসেন ও চরপাড়ার লাকী আক্তার এর অভিযোহ ও রয়রছ। স্থানীয় ইলেকট্রোন্কিস ব্যবসায়ী মোঃ জামাল হোসাইন জানান, প্রায়ই সময়ে কাস্টমাদের সাথে রেমন্ড এর দোকানদারদের বাকবিতন্ডা লেগেই আছে। বিভিন্ন জেলার লোকজন এসে কিনাকাটা করে আবার চলে যায়। তারা যদি প্রতারিত হয় তাহলে আমাদের শহরের বদনাম। সেই জন্য আর যাতে করে কেউ নাগরিকদের প্রতারিত না করতে পারে সেই ব্যবস্থা করার জন্য সচেতন মহলকে আহবান জানাচ্ছি। স্থানীয় শরীফ খান ও কাপড়েরর অভিযোগ করেন। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক একাদিক ব্যবসায়ী জানান অদৃশ্য শক্তির বলে সালাম শিকদার প্রতারনা করে আসছে। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না।

এ বিষয়ে দি রেমন্ড সপ এর ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা মিঃ সুমিত রায় জানান এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আইনুয়াগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশের কান্টি ম্যানেজার খাইরুল কবির এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন । এ বিষয়ে সালাম শিকদার জানান আমার এখানে ৪ বান্ডেল ডুপলিকেট কাপড় ছিল । আসলে আমরাতো আর সিল মারী না। কোম্পানী দেয় আমরা বিক্রয় করি। আওয়ার ব্যাঞ্চ বিষয়ে বলেন অনেক জায়গায় দোকান নেওয়ার প্রস্তুুতি চলছে। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে: মিথ্যা অভিযোগ করেছে। ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে স্থানীয় এলাকাবাসী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ | জুন ১৮, ২০২১

Check Also

ময়মনসিংহে মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষন সমাপ্ত

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ জেলা সাংবাদিকদের জন্য মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষন সমাপ্ত হয়েছে। আজ প্রেস …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *